Author: সিবুলেটিন ডেস্ক

লক্ষ্মী পুজোর নিয়মরীতি আগামীকাল ৬ অক্টোবর কোজাগরী পূর্ণিমা তিথি। আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের এই শেষ পূর্ণিমা তিথিতে বাংলার অধিকাংশ হিন্দু পরিবারে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়। শারদোৎসবের পর এই পুজো বাংলায় কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো হিসাবে পরিচিত। কোজাগরী শব্দের অর্থ হল ‘কো জাগতি’ অর্থাৎ ‘কে জেগে আছো’। বিশ্বাস করা হয়, এইদিন রাতে মা লক্ষ্মী গৃহস্থের বাড়ি ঘুরে ঘুরে তাঁর ভক্তদের আশীর্বাদ করেন। তাই গৃহে মায়ের পদার্পণের অপেক্ষায় রাত জেগে পুজো করাই এই লক্ষ্মী পুজোর প্রচলিত রীতি। বাঙালি হিন্দু ঘরে সারাবছর বৃহস্পতিবার দেবী লক্ষ্মীর পুজো করা হলেও কোজাগরী পূর্ণিমা তিথিতে লক্ষ্মীর আরাধনার গুরুত্ব আলাদা। বৃহস্পতিবারের পুজো সকাল থেকে করা হলেও কোজাগরের লক্ষ্মী পুজোর…

Read More

কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোয় কি কি এড়িয়ে চলবেন শারদীয়া দুর্গাপুজোর চারদিন পরেই হয় কোজাগরী লক্ষ্মী পূজো। আশ্বিন মাসের শেষ পূর্ণিমা তিথিতে বাংলার ঘরে ঘরে মহা ধুমধাম করে দেবীর আরাধনা করা হয়। মা লক্ষ্মী হলেন ঐশ্বর্য, সম্পদ, সৌভাগ্য আর সমৃদ্ধির দেবী। সাধারণত গৃহস্থ বাঙালি বাড়িতে প্রায় সারা বছরই বৃহস্পতিবার করে মা লক্ষ্মীর পুজো অর্চনা করা হয়। তবে দুর্গোৎসবের পর কোজাগরী পূর্ণিমা তিথিতে লক্ষ্মীর যে আরাধনা করা হয়, তার মাহাত্ম্য একেবারেই আলাদা। কথিত আছে কোজাগরী পূর্ণিমার দিন দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে নেমে আসেন এবং ভক্তদের আশীর্বাদ করেন। বৃহস্পতিবারের পুজো সকাল থেকে করা হলেও কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো কিন্তু সন্ধ্যের পর করাই রীতি। এই দিন প্রদীপ…

Read More

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার নির্ঘণ্ট আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথি হল কোজাগরী পূর্ণিমা তিথি। এই তিথিতে বাংলার ঘরে ঘরে পূজিতা হন শ্রী, সম্পদ আর সৌভাগ্যের দেবী মা লক্ষ্মী। সারা বছর প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার লক্ষ্মী পূজা করা হলেও আশ্বিন পূর্ণিমার দিন এই পুজো করার মাহাত্ম্য একেবারেই আলাদা। বিশ্বাস করা হয় বিজয়া দশমীতে মা দুর্গা কৈলাস গমন করার তিনদিন পরেই দেবী লক্ষ্মী পুনরায় মর্ত্যে ফিরে আসেন। কোজাগরী পূর্ণিমার দিন তিনি ভক্তদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে আশীর্বাদ দান করেন। কোজাগরী শব্দের অর্থ হল ‘কো-জাগতি’ অর্থাৎ ‘কে জেগে আছো?’। তাই কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার দিন ঘরে প্রদীপ জ্বেলে সারারাত মায়ের আরাধনা করাই প্রচলিত রীতি। বলা হয়, এদিন ঘরে…

Read More

বিজয়া দশমী ২০২৫ আজ বিজয়া দশমী। শারদীয়া দুর্গোৎসবের অন্তিম দিন। ঘরের মেয়ে উমার এবার কৈলাসে ফেরার পালা। পঞ্চমী থেকে শুরু করে ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী- এই পাঁচ দিন হৈ-হুল্লোড় করে কাটানোর পর আজ মন ভার আপামর বাঙালির। পুজো প্যান্ডেলে তাই আজ সকাল থেকেই শুরু হয়েছে মা-কে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি। তবে এই বিজয়া দশমীর দিনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে একাধিক রীতি রেওয়াজ। দেবী দুর্গার বরণ ও সিঁদুর খেলা তার মধ্যে অন্যতম। বিজয়া দশমীতে দেবী বরণ শাস্ত্র অনুসারে বিজয়া দশমীর দিন দেবীকে বিদায় জানানোর আগে দেবীকে বরণ করে নেওয়া হয়। বিসর্জনের আগে ঘরের মেয়েকে বিদায় জানাতে পরিবারের সবাই সামিল হন। বিশেষভাবে সাজানো হয়…

Read More

কুমারী পূজা দুর্গাপুজোয় কুমারী পূজা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সাধারণত দুর্গাপুজোর অষ্টমী এবং নবমীর যে কোন একদিন ১৬ বছরের কম বয়স্কা কোন কুমারীকে দেবীরূপে পুজো করার প্রচলন রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই এই পুজো করার রীতি চলে আসছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, দেবী দুর্গা যিনি সধবা রূপে পূজিতা হন, তাঁর আরাধনার মধ্যে কুমারী পূজা কেন বা কিভাবে জুড়ে গেল? এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে শাস্ত্র ও পৌরাণিক অ্যাখ্যানে। বানাসুরের কাহিনী শাস্ত্রে নারীশক্তিকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিপন্ন করা হয়েছে। দেবীপুরাণে বর্ণিত আছে, প্রাচীনকালে অসুররাজ বানাসুর স্বর্গ ও মর্ত্য দখল করে দেবতাদের উপর প্রবল অত্যাচার শুরু করেছিল। দেবতারা অসুরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দেবী মহাকালীর শরণাপন্ন হন। দেবগণের…

Read More

কোন মেট্রো স্টেশনের কাছে কোন পুজো শুরু হয়ে গেছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ পুজো- দুর্গাপুজো। আজ দেবীপক্ষের তৃতীয়া। তাই পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে প্রস্তুতি এখন চরমে। কলকাতায় চতুর্থী থেকেই দুর্গাপুজো ধুমধাম করে শুরু হয়ে যায়। সারা বছরের অপেক্ষার শেষে উৎসবে সামিল হয় লক্ষ লক্ষ মানুষ। উৎসবের দিনগুলিতে প্রকৃতি বিমুখ হলেও মানুষ কিন্তু তা মানতে নারাজ। অসুর বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ঠাকুর দেখতে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে তাই সমাগম বাড়ে। কারণ বাঙালির সেরা উৎসব বছরে তো একবারই। তাই প্রস্তুতি নেওয়ার ঘাটতি নেই দর্শনার্থীদের মধ্যেও। কবে কোথায় কোন ঠাকুর দেখবেন চলছে রাত জেগে প্রতিমা দর্শন করার প্ল্যান। বলা বাহুল্য, কলকাতায় ঠাকুর দেখার সবচেয়ে সহজ উপায় হল মেট্রো রুট…

Read More

পুজোর মুখে জলমগ্ন কলকাতা পু জোর মুখে ভাসল শহর। সোমবার রাতভর মেঘভাঙ্গা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত শহর কলকাতা ও শহরতলির স্বাভাবিক জনজীবন। রাজপথ সহ বিভিন্ন গলিপথ হয়েছে জলমগ্ন। ব্যাহত যান চলাচল ব্যবস্থা। আজ মঙ্গলবারও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরো অবনতি হতে পারে। যদিও জল বার করার চেষ্টা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। সোমবার রাত থেকেই আকাশে মেঘের সঞ্চার হতে শুরু করেছিল। রাত বাড়তেই শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। রাত ১২টা থেকে ভোর প্রায় ৪টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে শহরের অধিকাংশ জায়গা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রেকর্ড বৃষ্টিতে বহু বাড়ি গাড়ি জলের তলায়। জল ঢুকেছে বহু দোকানে, গ্যারেজে। অধিকাংশ জায়গা জলমগ্ন হওয়ায় জল নামতেও…

Read More

মহিষাসুরমর্দিনী | Mahishasuramardini দুর্গারূপেই দেবী মহিষাসুরকে বধ করেন। অসুররাজ মহিষাসুর যখন দেবতাদের হারিয়ে স্বর্গরাজ্য দখল করল, তখন সমগ্র দেবতাদের মিলিত শক্তিপুঞ্জ থেকে সৃষ্টি হল দেবী দুর্গার। এরপর দেবতাদের অস্ত্র দ্বারা সুসজ্জিত হয়ে দেবী দুর্গা আশ্বিনের শুক্লা অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিকালে মহিষাসুরকে বধ করেন। এর ফলে উদ্ধার হয় স্বর্গরাজ্য, রক্ষা পায় দেবকূল। তাই তিনি পূজিত হন মহিষাসুরমর্দিনী রূপে। দেবী দুর্গা তাঁর পরিবারকে সঙ্গে নিয়েই মর্ত্যে আসেন। সঙ্গে থাকে তাঁর দুই কন্যা আর দুই পুত্র সন্তান। দশপ্রহরণধারিণী মহিষাসুরমর্দিনী দেবী দুর্গার এই পরিবার শারদীয়া দুর্গাপুজোর ঐতিহ্য। ধ্যাণমন্ত্র দেবী দুর্গার ধ্যাণমন্ত্রে উল্লেখ আছে – তিনি যটাজুট পরিহিতা, মাথায় অর্ধচন্দ্র এবং ত্রিনয়না। অতসী ফুলের মতো…

Read More

Devi Durga Durgatinashini যিনি দুর্গতি ও শঙ্কা হরণ করেন, তিনিই দেবী দুর্গা দুর্গতিনাশিনী। স্বয়ং চণ্ডীতে দেবী বলেছেন, ‘দুর্গম নামের এক ভয়ঙ্কর অসুরকে বধ করে আমি দেবী দুর্গা নামে পরিচিত হব’। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে দেবীকে ‘দুর্গে দুর্গতিনাশিনী’ নামে ডাকা হয়েছে। অর্থাৎ যাঁকে স্মরণ করলে মানবকুলের দুর্গতি নাশ হয় তিনি দুর্গতিনাশিনী নারায়ণী দেবী দুর্গা। || দেবী দুর্গা || দুর্গা নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে দেবীর আসল পরিচয়। হিন্দু শাস্ত্রে তাঁকে কেবলমাত্র দেবী হিসেবেই বর্ণনা করা হয় নি, বরং তিনি মহাশক্তির বহিঃপ্রকাশ। অসুররা যখন দেবতাদের পরাভূত করে স্বর্গ দখল করে নেয়, তখন দেবতাদের সম্মিলিত শক্তি থেকেই জন্ম নেন মহাশক্তি দেবী দুর্গা। দেবতারা যেখানে ব্যর্থ, সেখানে…

Read More

দুর্গাপুজোয় দেবীর বোধন কেন হয় শারদীয়া দুর্গোৎসবে দেবীর বোধন সর্বাধিক গুরুত্বপুর্ণ। মহাশক্তি দশভুজার পুজো শুরু হয় এই বোধনের মধ্য দিয়ে। দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আবাহন জানানো হয় এই বোধনের মাধ্যমেই। বাংলার সংস্কৃতিতে এই বোধনকে ঘিরেই দুর্গাপুজোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন বোধন ছাড়া কেন দুর্গাপুজো শুরু হয় না? বোধনের অর্থই বা কি? কেনই বা করা হয় দেবীর বোধন? বোধন বোধন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল ‘জাগরণ’ বা ঘুম থেকে জাগানো। অর্থাৎ বোধনের মাধ্যমে দেবীকে জাগিয়ে তোলা। তবে এখানে ‘জাগরণ’ প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত। কেননা, শাস্ত্রকারদের মতে মহাশক্তি দেবী দুর্গা কখনো নিদ্রিত হন না। কল্পারম্ভ বোধনের প্রকৃত অর্থ হল ‘কল্পারম্ভ’- অর্থাৎ…

Read More