Friday, December 5

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

Chausa aam: ‘ফলের রাজা’ আম। আর গরমকাল মানেই হল আমের মরশুম। চেটেপুটে আম খাওয়ার সময়। আম খেতে কে না ভালবাসে! আবার বাঙালি মানে আম বলতে পাগল!

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থান বিভিন্ন প্রজাতির আমের জন্য বিখ্যাত। যেমন পশ্চিমবঙ্গের হিমসাগর, মহারাষ্ট্রের আলফানসো, উত্তরপ্রদেশের দশেরা। আম ফলের কদর মোটামুটি সারা দেশের মানুষের কাছে সমান ভাবে সমাদৃত। 

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

তবে বিভিন্ন প্রজাতির আমের মধ্যে চৌসা একটি উৎকৃষ্ট জাতের আম।  স্বাদে ও গন্ধে এই আম অতুলনীয়। একবার খেলে মুখে লেগে থাকে। ভারতের বিহার রাজ্যে এই আমের চাষ সবথেকে বেশি হয়। পশ্চিমবঙ্গের মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় চৌসা একটি জনপ্রিয় আম।

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

তবে এই আমের নাম চৌসা হওয়ার  পিছনে লুকিয়ে আছে এক দীর্ঘ ইতিহাস। কোথা থেকে এল এই নাম? আসুন জেনে নিই সেই নামকরণের ইতিহাস।

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

চৌসা আমের নামকরণের মাঝে লুকিয়ে আছে রোমাঞ্চকর ও ঐতিহাসিক এক বীরগাথা। মুঘল ইতিহাসের এক চমকপ্রদ অধ্যায়। যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ও আফগান শাসক শেরশাহ সুরির কাহিনি।

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

১৫৩৯ সালের ২৬ জুন মুঘল সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ূন এবং আফগান শাসক শেরশাহ সুরির মধ্যে ভীষণ এক যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধ হয়েছিল বর্তমানে বিহারের অন্তর্গত বক্সার জেলার চৌসা অঞ্চলে। ইতিহাসে আমরা এই যুদ্ধকে ‘চৌসার যুদ্ধ’ বলেই জানি। এই যুদ্ধে হুমায়ূন পরাজিত হন এবং শেরশাহ সুরি দিল্লির সিংহাসনে বসেন। 

যুদ্ধ জয়ের আনন্দকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য শেরশাহ তার অতি পছন্দের আমের নাম রাখেন ‘চৌসা’। চৌসা  আমের রসালো স্বাদ ও গন্ধে তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন। কালের পরিক্রমায় শেরশাহের সেই বিজয়গাথা আজও চৌসা আমের সাথে অমর হয়ে আছে।

আরও পড়ুন

কাউন্টার টেরোরিজম নিয়ে নির্মিত এই ছবির চরিত্রগুলোর সঙ্গে নাকি ‘হুবহু’ মিল রয়েছে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন গল্পের। কি সেই গল্প? ছবির চরিত্রের সঙ্গে বাস্তবের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

বাংলার ঐতিহাসিক পটভূমির উপর দাঁড়িয়ে জিৎ-কে দেখা গেছে ট্রেলারে। কখনো তিনি জেলে, কখনো রাতের অন্ধকারে চলন্ত ট্রেনের উপর দিয়ে নাটকীয় কায়দায় ছুটে চলেছেন।

১৯৯০ সালে মহেশ ভাটের ‘আশিকি’ ছবি মুক্তি পাওয়ার পর রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে উঠেছিলেন অভিনেতা রাহুল রায়। কিন্তু এরপর ভাগ্যের চাকা অন্যদিকে ঘুরে যায়।

একেবারে সিনেম্যাটিক ফিল দেবে বলে শোনা যাচ্ছে নতুন এই ধারাবাহিক। ‘গরীব’ ছেলের সঙ্গে বিত্তবান ঘরের মেয়ের প্রেমের সম্পর্কে বাদ সাধবেন মেয়ের বাবা ভিলেন ভরত কল।

ইতিমধ্যে উৎসবের ছুটিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে কে কাকে টেক্কা দেবে তার দৌড়। আগামী ২৫ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে আসছে তিনটি বড় ব্যানারের বাংলা ছবি- দেবের…

সমাজ মাধ্যমে ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘অন্যেরা তোমার সম্পর্কে কি ভাবে, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ঈশ্বর তোমার সম্পর্কে কি জানেন। ঈশ্বর তোমার হৃদয়কে চেনেন।’ 

এই ধারাবাহিকের ওপর বহু শিল্পী এবং টেকনিশিয়ান তাঁদের রুজি রোজগারের জন্য নির্ভর করে থাকেন। মাঝপথে সিরিয়াল বন্ধ হয়ে গেলে আর্থিকভাবে তাঁরাও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবেন।

‘তাঁর হাসি, তাঁর আকর্ষণ, তাঁর আত্মিক উষ্ণতা- যে-ই তাঁর সান্নিধ্যে এসেছে, সকলের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়েছে। এই পেশায় এমন মানুষ সত্যিই বিরল। আজ আমাদের চারপাশের বাতাসে কেবল শূন্যতা…এ এমন এক শূন্যতা, যা সম্ভবত কখনও পূরণ হওয়ার নয়।’

কার্তিক-অনন্যার অনস্ক্রিন প্রেমের রসায়ন ইতিমধ্যে আগুন ধরিয়েছে নেটদুনিয়ায়। স্যাচনিক-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী প্রথম ২৪ ঘণ্টায় টিজারের ভিউসংখ্যা ৭ কোটিতে গিয়ে পৌঁছেছে।