Monday, April 27

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

Chausa aam: ‘ফলের রাজা’ আম। আর গরমকাল মানেই হল আমের মরশুম। চেটেপুটে আম খাওয়ার সময়। আম খেতে কে না ভালবাসে! আবার বাঙালি মানে আম বলতে পাগল!

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থান বিভিন্ন প্রজাতির আমের জন্য বিখ্যাত। যেমন পশ্চিমবঙ্গের হিমসাগর, মহারাষ্ট্রের আলফানসো, উত্তরপ্রদেশের দশেরা। আম ফলের কদর মোটামুটি সারা দেশের মানুষের কাছে সমান ভাবে সমাদৃত। 

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

তবে বিভিন্ন প্রজাতির আমের মধ্যে চৌসা একটি উৎকৃষ্ট জাতের আম।  স্বাদে ও গন্ধে এই আম অতুলনীয়। একবার খেলে মুখে লেগে থাকে। ভারতের বিহার রাজ্যে এই আমের চাষ সবথেকে বেশি হয়। পশ্চিমবঙ্গের মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় চৌসা একটি জনপ্রিয় আম।

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

তবে এই আমের নাম চৌসা হওয়ার  পিছনে লুকিয়ে আছে এক দীর্ঘ ইতিহাস। কোথা থেকে এল এই নাম? আসুন জেনে নিই সেই নামকরণের ইতিহাস।

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

চৌসা আমের নামকরণের মাঝে লুকিয়ে আছে রোমাঞ্চকর ও ঐতিহাসিক এক বীরগাথা। মুঘল ইতিহাসের এক চমকপ্রদ অধ্যায়। যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ও আফগান শাসক শেরশাহ সুরির কাহিনি।

Chausa aam: মালদার এই বিখ্যাত আমের নাম চৌসা হল কেন? জানুন কারণ

১৫৩৯ সালের ২৬ জুন মুঘল সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ূন এবং আফগান শাসক শেরশাহ সুরির মধ্যে ভীষণ এক যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধ হয়েছিল বর্তমানে বিহারের অন্তর্গত বক্সার জেলার চৌসা অঞ্চলে। ইতিহাসে আমরা এই যুদ্ধকে ‘চৌসার যুদ্ধ’ বলেই জানি। এই যুদ্ধে হুমায়ূন পরাজিত হন এবং শেরশাহ সুরি দিল্লির সিংহাসনে বসেন। 

যুদ্ধ জয়ের আনন্দকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য শেরশাহ তার অতি পছন্দের আমের নাম রাখেন ‘চৌসা’। চৌসা  আমের রসালো স্বাদ ও গন্ধে তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন। কালের পরিক্রমায় শেরশাহের সেই বিজয়গাথা আজও চৌসা আমের সাথে অমর হয়ে আছে।

আরও পড়ুন

দীর্ঘ সময় পর আবার ছোটপর্দায় ফিরছেন বাংলা অভিনয় জগতের প্রবীণ ও প্রিয় মুখ- পরান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এই ফেরা একেবারেই সাধারণ নয়। রয়েছে স্পষ্ট শর্ত, সীমাবদ্ধতা, আর তার মধ্যেই রয়েছে অভিনয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসার এক নিঃশব্দ স্বীকারোক্তি।

১৯৬৫ সালে, বাংলাদেশে, ছায়ানটের উদ্যোগে রমনার বটমূলে ‘এসো হে বৈশাখ’ গান দিয়ে নববর্ষ উদযাপন শুরু হয়, যা পরে বাঙালির জাতীয় চেতনার প্রতীক হয়ে ওঠে।

চিরনিদ্রায় সুরসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলে। শেষকৃত্যে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ‘অভিভাবকহীন’ নাতনি জনাই ভোঁসলে, সিরাজের সান্ত্বনা দেওয়ার ভিডিও দেখে চোখে জল নেটিজেনদেরও।

আগামীকাল সকাল ১১টায় লোয়ার পারেলের কাসা গ্র্যান্ডে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন সকলে। এখানেই তিনি থাকতেন। বিকালে মুম্বইয়ের শিবাজী পার্কে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে খবর।

বলিউডের স্বর্ণযুগের সেই হাসি, চোখের ভাষা আর অদ্ভুত আকর্ষণ—যা আজও দর্শকদের মুগ্ধ করে রাখে, সেটাকেই নতুন করে জীবন্ত করার চ্যালেঞ্জ নিতে চলেছেন সারা।

টিজার প্রকাশ্যে আসার পর রণবীর এই দুই চরিত্রে অভিনয় করার কথা ব্যাখ্যা করেছেন। একইসঙ্গে দুই ভূমিকায় অভিনয় করার অভিজ্ঞতাও নাকি অনবদ্য, বলেছেন তিনি।

নীতেশ তিওয়ারির ‘রামায়ণ’-এ ভিএফএক্স এর নেপথ্যে রয়েছেন অস্কারজয়ী শিল্পীরা। ছবির আবহ সংগীতও মন জয় করেছে দর্শকদের।

সত্যিই ‘দেশি গার্ল’ প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সম্প্রতি তিনি ভারতেই রয়েছেন। মহাবীর জয়ন্তীর দিন তিনি গিয়েছেন অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরে। সেখানে গিয়ে প্রার্থনায় অংশগ্রহণও করেছেন তিনি। শুধু প্রার্থনা নয়, স্বর্ণমন্দিরে তাঁকে সেবাতে অংশগ্রহণ করতেও দেখা গেছে।

ঘড়িটির ডিজাইন যেমন একদিকে বিরল তেমনি অন্যদিকে সংস্থার লিমিটেড এডিশনের মডেল। এই মডেলের ঘড়ি বিশ্বজুড়ে মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি তৈরি হয়েছে। দামও আকাশছোঁয়া।