Rahika Merchant Wrist Watch
শুরু হয়েছে ২০২৬ মরসুমের আইপিএল। গত রবিবার ২৯ মার্চ কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে প্রথম খেলা ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে হাই ভোল্টেজ সেই ম্যাচ দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন মুকেশ আম্বানীর পুত্রবধূ রাধিকা মার্চেন্ট। সঙ্গে নীতা আম্বানি এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও ছিল। ফ্যাশন জগতে রাধিকা মার্চেন্ট একটি পরিচিত নাম। তাঁর ফ্যাশন স্টেটমেন্ট এবং রূপের ছটা সচরাচর মুগ্ধ করে ভক্তদের। তবে এদিনের খেলার মাঠে রাধিকার লুক ছিল একেবারেই সাধারণ, আড়ম্বরহীন। সাদামাঠা একটি পোশাক পরে হাজির হয়েছিলেন স্টেডিয়ামে। তবে তাঁর হাতের ঘড়িটি ছিল নজরকাড়া।
আইপিএল-এর আসরে এদিন আম্বানী পরিবারের ‘ছোট বৌ’-এর হাতে ছিল বেগুনি রঙের রিচার্ড মিলের ঘড়ি। ঘড়িটির ডিজাইন যেমন একদিকে বিরল তেমনি অন্যদিকে সংস্থার লিমিটেড এডিশনের মডেল। এই মডেলের ঘড়ি বিশ্বজুড়ে মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি তৈরি হয়েছে। দামও আকাশছোঁয়া।
রাধিকার হাতের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অনুষঙ্গটি ছিল এই রিচার্ড মিলের অনবদ্য আরএম ৭৫-০১ ফ্লাইং টুরবিলন স্যাফায়ার। ঘড়ির ডিজাইনে ছিল সমুদ্রের স্ফটিক স্বচ্ছতা এবং গথিক স্থাপত্যের নিদর্শন। এই ঘড়িটির সবচেয়ে ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য হল এর সম্পূর্ণ কঙ্কালসার নকশা। যার জন্য এর ভেতরের যন্ত্রাংশগুলির জটিল চলাচল বাইরে থেকেও পরিষ্কার দেখা যায়। মোট তিনটি ভ্যারিয়েশনে মডেলটি পাওয়া যায়। এর মধ্যে রাধিকা যে সংস্করণটি পরে ছিলেন, বিশ্বজুড়ে তা মাত্র ১০ পিসই রয়েছে। উপরন্তু ঘড়ির স্বচ্ছ কেসটি সূক্ষ্মভাবে রঙ এবং আলো বিচ্ছুরিত করে, যার আভা অন্যান্য বিলাসবহুল ঘড়ি থেকে এটিকে আলাদা করে তোলে।
ঘড়িটি তৈরি করাও সহজ কাজ নয়। সম্পূর্ণ নিরেট স্যাফায়ার ব্লক থেকে খোদাই করা এর কেসটি তৈরি করতে ১,০০০ ঘণ্টারও বেশি মেশিনিংয়ের প্রয়োজন হয়। ঘষামাজা করে চাকচিক্য বাড়াতে ব্যয় হয় প্রায় ৪০ দিন। কেসের অতি কঠিন আবরণ এবং আঁচড়-প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করার জন্য অবিশ্বাস্য রকমের সূক্ষ্মতার প্রয়োজন হয়, এবং এর উপাদানগুলো মাইক্রন-স্তরের সহনশীলতায় একত্রিত করা হয়। ঘড়ির ত্রিখণ্ডিত কেসটি একটি সূক্ষ্ম নান্দনিকতা বজায় রেখে
স্থায়িত্বের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। কেসটি জলরোধী এবং টাইটানিয়াম স্ক্রু দ্বারা সুসজ্জিত। ভিতরে, একটি টাইটানিয়াম বেসপ্লেট ঘড়ির মুভমেন্টটিকে ধরে রাখে, এবং ৬টার অবস্থানে থাকা ফ্লাইং টুরবিলনটি প্রতি ৬০ সেকেন্ডে একটি পূর্ণ ঘূর্ণন সম্পন্ন করে। ৬৫ ঘণ্টা পর্যন্ত পাওয়ার রিজার্ভ করতে পারে এই ঘড়ি।
রাধিকার হাতের এই ঘড়ির দাম কত? খবরে প্রকাশ, অতি বিরল রিচার্ড মিলের এই ঘড়ির দাম নাকি ২.২৬ মিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক প্রায় ২১.৩৯ কোটি রুপি।
তথ্যসূত্র- হিন্দুস্থান টাইমস
আরও পড়ুন – প্রয়াত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়, টলিউডে শোকের ছায়া
আরও পড়ুন – ওজনও কমেছে ৪ কেজি, ১৪ দিন ধরে অসুস্থ হৃতিকের প্রেমিকা সাবা আজাদ


