বিনোদন

কার্তিক-অনন্যার অনস্ক্রিন প্রেমের রসায়ন ইতিমধ্যে আগুন ধরিয়েছে নেটদুনিয়ায়। স্যাচনিক-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী প্রথম ২৪ ঘণ্টায় টিজারের ভিউসংখ্যা ৭ কোটিতে গিয়ে পৌঁছেছে।

যে মানুষটি গ্রামের অলি-গলির ধুলো মেখে স্বপ্ন দেখতে শিখেছিলেন, তিনিই পরবর্তীকালে হয়ে উঠেছিলেন হিন্দি সিনেমার অবিসংবাদিত কিংবদন্তি।

‘ধুরন্ধর’ ছবিতে সারার লুক এখন চর্চার কেন্দ্রে। শিশুশিল্পীর ইমেজ ঝেড়ে পরিণত চরিত্রে তাঁর উপস্থিতি নজর কেড়েছে সবার। আগামী ৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে ছবিটি।

১৯৯৪ সালে বিশ্ব সুন্দরীর মুকুট মাথায় পরার আগে ওই একই বছরে ঐশ্বর্য রাই অংশ নিয়েছিলেন ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ১৯৯৪’-এর মঞ্চে। দেশের ফ্যাশন জগতে তখন ধারণা ছিল একটাই, এই শিরোপা উঠবে ঐশ্বর্যরই মাথায়।

ছোটবেলায় ডিসলেক্সিয়া, এডিএইচডি এবং হাইপারঅ্যাকটিভিটিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ফতিমা। কিন্তু মন থেকে কখনও ভেঙে পড়েননি। দুর্বলতাগুলোকে সময়ের সাথে নিজের শক্তিতে পরিণত করেছেন তিনি।

‘আজ যেন এক নতুন তারার জন্ম হল। তাঁর সৌন্দর্য, শক্তি আর দীপ্তিময় উপস্থিতি সারা বিশ্বের মন জয় করেছে। তাঁকে নতুন রানি হিসেবে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’

‘ধুরন্ধর’ ট্রেলার জুড়ে ফুটে উঠেছে দমদার স্টার-প্যাকড স্ক্রিন। সঞ্জয় দত্ত, আর. মাধবন, অর্জুন রামপালকে একের পর এক অধ্যায়ে পরিচয় করানো হয়েছে। অক্ষয় খান্না এবং অর্জুন রামপালকে দেখানো হয়েছে অত্যন্ত হিংস্র এবং আগ্রাসী চরিত্রে।

অনেক শিশুশিল্পী সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই হারিয়ে যায়। তবে হর্ষালির এই প্রত্যাবর্তন প্রমাণ করছে, সত্যিকারের প্রতিভা কখনো হারিয়ে যায় না। ক্ষণিক বিরতির পর পুনরায় সে তারকার উজ্জ্বলতা নিয়ে ফিরে আসে।

বছর দশেক আগে হর্ষালি মালহোত্রার নীরব অভিব্যক্তি তাঁকে শিশু শিল্পী হিসেবে জনপ্রিয় করে তুলেছিল। এত বছর পর শৈশব কাটিয়ে তিনি এখন আত্মবিশ্বাসে ভরপুর এক তরুণী।

আগামী ২১ নভেম্বর থাইল্যান্ডের ননথাবুরিতে অনুষ্ঠিত হবে মিস ইউনিভার্স ২০২৫ প্রতিযোগিতা। সেই মঞ্চে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন মনিকা।