Author: সিবুলেটিন ডেস্ক

বিজয়া দশমী ২০২৫ আজ বিজয়া দশমী। শারদীয়া দুর্গোৎসবের অন্তিম দিন। ঘরের মেয়ে উমার এবার কৈলাসে ফেরার পালা। পঞ্চমী থেকে শুরু করে ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী- এই পাঁচ দিন হৈ-হুল্লোড় করে কাটানোর পর আজ মন ভার আপামর বাঙালির। পুজো প্যান্ডেলে তাই আজ সকাল থেকেই শুরু হয়েছে মা-কে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি। তবে এই বিজয়া দশমীর দিনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে একাধিক রীতি রেওয়াজ। দেবী দুর্গার বরণ ও সিঁদুর খেলা তার মধ্যে অন্যতম। বিজয়া দশমীতে দেবী বরণ শাস্ত্র অনুসারে বিজয়া দশমীর দিন দেবীকে বিদায় জানানোর আগে দেবীকে বরণ করে নেওয়া হয়। বিসর্জনের আগে ঘরের মেয়েকে বিদায় জানাতে পরিবারের সবাই সামিল হন। বিশেষভাবে সাজানো হয়…

Read More

কুমারী পূজা দুর্গাপুজোয় কুমারী পূজা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সাধারণত দুর্গাপুজোর অষ্টমী এবং নবমীর যে কোন একদিন ১৬ বছরের কম বয়স্কা কোন কুমারীকে দেবীরূপে পুজো করার প্রচলন রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই এই পুজো করার রীতি চলে আসছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, দেবী দুর্গা যিনি সধবা রূপে পূজিতা হন, তাঁর আরাধনার মধ্যে কুমারী পূজা কেন বা কিভাবে জুড়ে গেল? এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে শাস্ত্র ও পৌরাণিক অ্যাখ্যানে। বানাসুরের কাহিনী শাস্ত্রে নারীশক্তিকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিপন্ন করা হয়েছে। দেবীপুরাণে বর্ণিত আছে, প্রাচীনকালে অসুররাজ বানাসুর স্বর্গ ও মর্ত্য দখল করে দেবতাদের উপর প্রবল অত্যাচার শুরু করেছিল। দেবতারা অসুরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দেবী মহাকালীর শরণাপন্ন হন। দেবগণের…

Read More

কোন মেট্রো স্টেশনের কাছে কোন পুজো শুরু হয়ে গেছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ পুজো- দুর্গাপুজো। আজ দেবীপক্ষের তৃতীয়া। তাই পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে প্রস্তুতি এখন চরমে। কলকাতায় চতুর্থী থেকেই দুর্গাপুজো ধুমধাম করে শুরু হয়ে যায়। সারা বছরের অপেক্ষার শেষে উৎসবে সামিল হয় লক্ষ লক্ষ মানুষ। উৎসবের দিনগুলিতে প্রকৃতি বিমুখ হলেও মানুষ কিন্তু তা মানতে নারাজ। অসুর বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ঠাকুর দেখতে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে তাই সমাগম বাড়ে। কারণ বাঙালির সেরা উৎসব বছরে তো একবারই। তাই প্রস্তুতি নেওয়ার ঘাটতি নেই দর্শনার্থীদের মধ্যেও। কবে কোথায় কোন ঠাকুর দেখবেন চলছে রাত জেগে প্রতিমা দর্শন করার প্ল্যান। বলা বাহুল্য, কলকাতায় ঠাকুর দেখার সবচেয়ে সহজ উপায় হল মেট্রো রুট…

Read More

পুজোর মুখে জলমগ্ন কলকাতা পু জোর মুখে ভাসল শহর। সোমবার রাতভর মেঘভাঙ্গা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত শহর কলকাতা ও শহরতলির স্বাভাবিক জনজীবন। রাজপথ সহ বিভিন্ন গলিপথ হয়েছে জলমগ্ন। ব্যাহত যান চলাচল ব্যবস্থা। আজ মঙ্গলবারও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরো অবনতি হতে পারে। যদিও জল বার করার চেষ্টা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। সোমবার রাত থেকেই আকাশে মেঘের সঞ্চার হতে শুরু করেছিল। রাত বাড়তেই শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। রাত ১২টা থেকে ভোর প্রায় ৪টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে শহরের অধিকাংশ জায়গা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রেকর্ড বৃষ্টিতে বহু বাড়ি গাড়ি জলের তলায়। জল ঢুকেছে বহু দোকানে, গ্যারেজে। অধিকাংশ জায়গা জলমগ্ন হওয়ায় জল নামতেও…

Read More

মহিষাসুরমর্দিনী | Mahishasuramardini দুর্গারূপেই দেবী মহিষাসুরকে বধ করেন। অসুররাজ মহিষাসুর যখন দেবতাদের হারিয়ে স্বর্গরাজ্য দখল করল, তখন সমগ্র দেবতাদের মিলিত শক্তিপুঞ্জ থেকে সৃষ্টি হল দেবী দুর্গার। এরপর দেবতাদের অস্ত্র দ্বারা সুসজ্জিত হয়ে দেবী দুর্গা আশ্বিনের শুক্লা অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিকালে মহিষাসুরকে বধ করেন। এর ফলে উদ্ধার হয় স্বর্গরাজ্য, রক্ষা পায় দেবকূল। তাই তিনি পূজিত হন মহিষাসুরমর্দিনী রূপে। দেবী দুর্গা তাঁর পরিবারকে সঙ্গে নিয়েই মর্ত্যে আসেন। সঙ্গে থাকে তাঁর দুই কন্যা আর দুই পুত্র সন্তান। দশপ্রহরণধারিণী মহিষাসুরমর্দিনী দেবী দুর্গার এই পরিবার শারদীয়া দুর্গাপুজোর ঐতিহ্য। ধ্যাণমন্ত্র দেবী দুর্গার ধ্যাণমন্ত্রে উল্লেখ আছে – তিনি যটাজুট পরিহিতা, মাথায় অর্ধচন্দ্র এবং ত্রিনয়না। অতসী ফুলের মতো…

Read More

Devi Durga Durgatinashini যিনি দুর্গতি ও শঙ্কা হরণ করেন, তিনিই দেবী দুর্গা দুর্গতিনাশিনী। স্বয়ং চণ্ডীতে দেবী বলেছেন, ‘দুর্গম নামের এক ভয়ঙ্কর অসুরকে বধ করে আমি দেবী দুর্গা নামে পরিচিত হব’। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে দেবীকে ‘দুর্গে দুর্গতিনাশিনী’ নামে ডাকা হয়েছে। অর্থাৎ যাঁকে স্মরণ করলে মানবকুলের দুর্গতি নাশ হয় তিনি দুর্গতিনাশিনী নারায়ণী দেবী দুর্গা। || দেবী দুর্গা || দুর্গা নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে দেবীর আসল পরিচয়। হিন্দু শাস্ত্রে তাঁকে কেবলমাত্র দেবী হিসেবেই বর্ণনা করা হয় নি, বরং তিনি মহাশক্তির বহিঃপ্রকাশ। অসুররা যখন দেবতাদের পরাভূত করে স্বর্গ দখল করে নেয়, তখন দেবতাদের সম্মিলিত শক্তি থেকেই জন্ম নেন মহাশক্তি দেবী দুর্গা। দেবতারা যেখানে ব্যর্থ, সেখানে…

Read More

দুর্গাপুজোয় দেবীর বোধন কেন হয় শারদীয়া দুর্গোৎসবে দেবীর বোধন সর্বাধিক গুরুত্বপুর্ণ। মহাশক্তি দশভুজার পুজো শুরু হয় এই বোধনের মধ্য দিয়ে। দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আবাহন জানানো হয় এই বোধনের মাধ্যমেই। বাংলার সংস্কৃতিতে এই বোধনকে ঘিরেই দুর্গাপুজোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন বোধন ছাড়া কেন দুর্গাপুজো শুরু হয় না? বোধনের অর্থই বা কি? কেনই বা করা হয় দেবীর বোধন? বোধন বোধন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল ‘জাগরণ’ বা ঘুম থেকে জাগানো। অর্থাৎ বোধনের মাধ্যমে দেবীকে জাগিয়ে তোলা। তবে এখানে ‘জাগরণ’ প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত। কেননা, শাস্ত্রকারদের মতে মহাশক্তি দেবী দুর্গা কখনো নিদ্রিত হন না। কল্পারম্ভ বোধনের প্রকৃত অর্থ হল ‘কল্পারম্ভ’- অর্থাৎ…

Read More

Vishwakarma Puja বিশ্বকর্মার আবাহনের পরই দেবীপক্ষের শুভসূচনা হয়। বাংলার উৎসবপঞ্জিতে ভাদ্র সংক্রান্তির তিথি মানেই হল বিশ্বকর্মা পুজো। দুর্গাপুজোর ঠিক আগেই আসে এই দেবশিল্পীর আরাধনা। আশ্বিনের সূচনায় দুর্গাপুজোর আগে এই বিশ্বকর্মা পুজোর তাৎপর্য কোথায়? মহাশক্তির আগমনের সঙ্গে কি সম্পর্ক রয়েছে এই পুজোর? খোঁজ দিল সিবুলেটিন ডট কম। কে এই বিশ্বকর্মা? দুর্গাপুজোর সঙ্গে তাঁর আরাধনার কি সম্পর্ক? শাস্ত্রকারদের মতে, বৈদিক কারিগরি দেবতা ‘ত্বষ্টা’ ও ‘বিশ্বকর্মা’ হলেন একই দেবতা। সূর্যাগ্নিরুপী ত্বষ্টাই হলেন প্রকৃতপক্ষে বিশ্বকর্মা। শতপথ ব্রাহ্মণে বিশ্বকর্মাকে অগ্নিরূপে সমস্ত জগতের রূপস্রষ্টারূপে বর্ণনা করা হয়েছে। আবার বৃহদেবতা গ্রন্থে বিশ্বকর্মাকে ‘বর্ষাকালীন সূর্য’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে- “নিদাঘমাসাতিগমে যদৃতে নাবতি ক্ষিতিম্। বিশ্বস্য জনয়ন কর্ম বিশ্বকর্মৈষ তেন…

Read More

মহালয়ার ভোরে তর্পণআশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যা তিথি মহালয়া নামে পরিচিত। মহালয়া মানেই দেবীপক্ষের সূচনা অর্থাৎ দুর্গোৎসবের সূচনা, কিন্তু পাশাপাশি এটি পিতৃপক্ষেরও সমাপ্তি। মহালয়ার ভোরে তর্পণ করার রীতি চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। এই দিন ভোরবেলায় নদী বা পুকুরঘাটে দাঁড়িয়ে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে ফুল, জল নিবেদন করা হয়।তর্পণ কি?‘তর্পণ’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘তৃপ’ থেকে, যার অর্থ হল ‘সন্তুষ্ট করা’ বা ‘তুষ্টি প্রদান’। তর্পণ হল আসলে অর্ঘ্য নিবেদনের মাধ্যমে পূর্বপুরুষের আত্মাকে শান্তি দেওয়ার আচার। তর্পনে কুশ, তিল, জল, ধান, দুধ, মধু, মিষ্টি, ফল ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। ডান হাতে জল নিয়ে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে তা অর্ঘ্য হিসাবে জলে নিবেদন করা হয়। তর্পণ…

Read More

Happy Birthday Dua দেখতে দেখতে কেটে গেল একটা বছর। ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং-এর ঘর আলো করে জন্ম নিয়েছিল তাদের প্রথম সন্তান দুয়া। সেইমত এই ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পূর্ণ হল দুয়ার জীবনের প্রথম একটি বছর। তবে এই বিশেষ দিনটিতে কোনো আড়ম্বর ছাড়াই একেবারে সাদামাটাভাবে পালন করলেন ছোট্ট দুয়ার প্রথম জন্মদিন। একান্তভাবেই পরিবারের সঙ্গে কাটালেন অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন। দুয়ার প্রথম জন্মদিন: মায়ের উপহার দুয়ার জন্মদিনে কোনো বিলাসবহুল পার্টি বা চমকপ্রদ আয়োজনের পথে হাঁটেননি দীপিকা। বরং মেয়ের জন্য নিজের হাতে বানিয়েছেন একটি চকোলেট কেক। ফুল দিয়ে সাজানো টেবিলের মাঝে একটি ছোট কেক। তার ওপর একটি মোমবাতি। সমাজমাধ্যমে…

Read More